ধানমণ্ডিতে আগে শিয়াল ডাকতো বলে আমার মা সেখানে থাকতে আসতে রাজি হননি শুরুতে। আর এখন, প্রাণের অস্তিত্ব মেলে না। এই পরিস্থিতি কেবল সাধারণ মানুষ করেছে এমনতো না। সেনানিবাস, বর্ডার গার্ড (পিলখানা) এদের যে বিশাল এলাকা এগুলো শুরুতে ঢাকার মধ্যে ছিল না, এখন এটি ঢাকার মধ্যে পড়ে যাওয়ায় একধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউন আয়োজিত ‘আমাদের রাস্তা, আমাদের পার্ক’ শীর্ষক বৈঠকিতে আলোকচিত্রী শহীদুল আলম এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সাইকেল চালাই কেবল সুবিধা হয় এমনটি না, রাজনৈতিক কারণেও আমি সাইকেল চালাই। মধ্যবিত্ত হলেই একটি যে কোনও মাপেরই হোক গাড়ি থাকবে, ড্রাইভার থাকবে, ওই গাড়িতে আমি বসে থাকবো একা, সেটাই সারা শহর দখল করবে এটিকে চ্যালেঞ্জ করাও একটি কাজ।
সাইকেল চালানোর কারণে আরও অনেকের সঙ্গে আলাপ হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফুটপাত আছে কিংবা নাই সেটি হকারের জন্য তা তো না। এর মধ্যে ক্ষমতার সঙ্গে অনেক ধরনের লেনদেন আছে। সেগুলোর ভিত্তিতেই অর্থনৈতিক মাপকাঠির মধ্যেই সব চলে। এখন আমাদের ভাবতে হবে, সত্যিকার অর্থে আমরা কাজ করব কিনা। সরকার যদি রাস্তা দখল করে রাখতে পারে অন্যরা করবে না সেটি ভাবব কি করে?
মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বাংলা ট্রিবিউনের বৈঠকিতে অংশ নিচ্ছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বাংলা ট্রিবিউনের প্রকাশক ড. কাজী আনিস আহমেদ, প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রহমান, স্থপতি রফিক আজম, অভিনয়শিল্পী জাহিদ হাসান, এটিএন নিউজের সিইও সরকার ফিরোজ, আলোকচিত্রশিল্পী শহীদুল আলম এবং সাংবাদিক কামরুল ইসলাম।বৈঠকি চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।
সরাসরি বৈঠকি দেখতে চোখ রাখুন চ্যানেল একাত্তর- এর পর্দায় এবং এ সম্পর্কিত সব সংবাদ পড়ুন www.banglatribune.com এ।
/ইউআই/এফএএন/