গত ১২ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, আলম মিয়া ৩৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রবেশপত্রের রোল নম্বরের শেষ নম্বর ৪ এর জায়গায় শূন্য বসায়। ফলে পরীক্ষার কেন্দ্রে একই রোলের দুইজন পরীক্ষার্থী হওয়ায় পরীক্ষকরা প্রথমে দুজনকেই সন্দেহ করেন। এরপর যাছাই বাছাই করে আলম মিয়াকে ভুয়া পরীক্ষার্থী হিসেবে শনাক্ত করেন। পরে তাকে পরীক্ষকরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দেন।
পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলম মিয়ার জবানবন্দী ও সাক্ষ্য গ্রহণ করে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করেন।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ০৮৯২৩০ রেজিস্ট্রেশনধারী প্রকৃত পরীক্ষার্থীর নাম জহিরুল। তিনিও পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে গেলে পরীক্ষকরা সন্দেহ করে তাদের দুজনেরই আবেদন যাছাই বাছাই করেন। যাছাই বাছাই শেষে আলম মিয়াকে ভুয়া পরীক্ষার্থী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। আলম মিয়া ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছিল।
এদিকে একই দিনে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অসুদপায় অবলম্বনের জন্য ২ জন এবং আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর একটি কেন্দ্র থেকে রুবেল হক নামে এক শিক্ষার্থীকে অসুদপায় অবলম্বনের দায়ে বহিস্কার করা হয়েছে।
/আরএআর/এসএনএইচ/