তিনি পাঠ্যপুস্তকের আধেয় ও বইমেলার নজরদারি নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন,এই মেলায় প্রকাশকদের দাপট দেখা যায়, তাদের কয়জন লেখকদের সঠিক সম্মানি দেন? তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলা একাডেমির নিয়ম রয়েছে, লেখকদের সাথে রয়ালিটির সনদ জমা দিতে হবে। সেটাও নানা কায়দায় চলছে। তারপরও মেলা ভালো, বই ভালো, মিলন ভালো, লেখক যেন প্রতারিত বঞ্চিত না হন।
রফিকুল ইসলাম আলোচনায় বলেন, আমাদের ছেলেবেলায় দুটি মেলা প্রিয় ছিল: জন্মাস্টমি ও মহররমের মেলা। দেশ বিভাগের পর থেকে গ্রামে গঞ্জের বাইরে তেমন মেলা দেখিনি। তবে বলতেই হবে,একমাস ধরে পৃথিবীতে আর বইমেলা হয় না। এ কেবল বাংলাদেশেই হয়।’
তিনি আরও বলেন, এই মেলায় দুর্ঘটনাও ঘটে গেছে। লেখকের প্রাণহানি ঘটেছে, মা বোনেরা অপমানিত হয়েছেন, কাটিয়ে উঠছি বা উঠেছি। ভবিষ্যতে আর এধরনের দুর্ঘটনা ঘটবে না।
মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বাংলা ট্রিবিউনের এই বৈঠকিতে আরও অংশ নিচ্ছেন, ইসলামী ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হক, লেখক ও কলামিস্ট মাসুদা ভাট্টি, কলামিস্ট ও শিক্ষা বিষয়ক গবেষক ফারহানা মান্নান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রভাষ আমিন, এবং বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।
বৈঠকি চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। সরাসরি বৈঠকি দেখতে চোখ রাখুন চ্যানেল ৭১ এর পর্দায় এবং এ সম্পর্কিত সব সংবাদ পড়ুন www.banglatribune.com এ।
/ইউআই/এফএএন/