স্পিকার বলেন, ‘কার্য উপদেষ্টা কমিটি ৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এ অধিবেশ ১১ মার্চ পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন চলমান থাকবে। ৯ মার্চ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা শেষ হবে। ১১ মার্চ শনিবার ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব নিয়ে সংসদে আলোচনার পর তা গৃহীত হলে নির্বাহী বিভাগ এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এ হিসেবে এ বছর ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সংসদে এক অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের দাবি তোলেন। পরে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোচনায় একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মও যেন জেনে বড় হয়, সে লক্ষ্যে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
ওই দিন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন বলেন, ‘২৫ মার্চে গণহত্যা দিবস পালনের দাবি সংবলিত একটি প্রস্তাব আমি ইতোমধ্যেই পেয়েছি। একজন সংসদ সদস্য বিষয়টি দিয়েছেন। আমরা অগ্নিঝরা মার্চের যেকোনও একদিন সংসদের বৈঠকে আলোচনা করব।’
ইএইচএস/এমএনএইচ/