'যাচাই-বাছাইয়ের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি করা হচ্ছে'

received_602129893314088মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের নামে দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান (আমুস) নামের একটি সংগঠন। তারা এ হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে।  

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভারতীয় তালিকা, মুক্তিবার্তা লালবই, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরিত সনদ, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী, বিডিআর, পুলিশ, আনসার বাহিনীর বিশেষ গেজেট যাচাই-বাছাইয়ের আওতামুক্ত রাখার দাবিতে মানবন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ১৯৯৮-২০০১ সাল পর্যন্ত যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৫ লাখ ৯৭ হাজার আবেদন করা হয়। যাচাই বাছাই শেষে ১ লাখ ৯২ হাজার মুক্তিযোদ্ধার নাম চূড়ান্ত করা হয়। এরপর ১ লাখ ৫৫ হাজার জেলা ভিত্তিক তালিকা করে মুক্তিবার্তা লালবই প্রণয়ন করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি- জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনার প্রতি স্বাক্ষরিত সনদ অকার্যকর করে। সেই সময় বিএনপি সরেজমিন যাচাই-বাছাই ছাড়া নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মুক্তিযোদ্ধা নয় এমন ব্যক্তিদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসলে প্রধানমন্ত্রীর সনদ কার্যকর হয়। এই সনদ যাদের দেওয়া হয় তখন একটি রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে বিতরণ করা হয়। যা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত আছে।

বর্তমান যাচাই-বাছাই কমিটির সমালোচনা করে হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমানে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত সনদ, মুক্তিবার্তা লাল বই, ভারতীয় তালিকা বিভিন্ন বাহিনীর গেজেট নিয়ে হাসি ঠাট্টা ও তামাশা করা হচ্ছে। নৈতিকতা বিবর্জিত অনেক কর্মকাণ্ড করছে এবং পূর্ব শত্রুতার জেরসহ নানা হয়রানি করা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের। ফলে যাচাই বাছাইয়ের নামে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে হয়রানি বন্ধ করা হোক।

 /আরএআর/এসটি/