ঠেঙ্গার চর পরিদর্শনে যাবেন ভূমি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল

ঠেঙ্গার চর

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ এবং নোয়াখালীর সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে শিগগিরই ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঠেঙ্গার চর ও জালিয়াচর পরিদর্শন করবেন।

আগামী ৩০ মার্চ প্রতিনিধি দলটি ঠেঙ্গার চর ও জালিয়াচর পরিদর্শন করার কথা। ভূমি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর বিভাগীয় কমিশনরাও থাকবেন।

সন্দ্বীপ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সচিবালয়ে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী চর দুটি পরিদর্শনের কথা বলেন।

প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৯৫৪ সালে সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম জেলার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত চট্রগ্রাম-নোয়াখালী আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ হয়নি। গত বছরের (২০১৬) ২ মার্চ ভূমিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম-নোয়াখালী আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারণ হলে এ বিরোধ নিরসন হবে। এ ছাড়াও স্বর্ণদ্বীপ, ঠেঙ্গার চর এবং জালিয়াচর সন্দ্বীপের বিলীন হয়ে যাওয়া অংশ বলে প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে যুক্তি এবং প্রমাণ তুলে ধরা হয়।

প্রতিমন্ত্রী ধৈর্য্য সহকারে প্রতিনিধি দলের বক্তব্য শুনেন। সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী এ জটিলতা নিরসন করা হবে বলে প্রতিনিধিদলকে আশস্ত করেন এবং বিরোধপূর্ণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনের ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোশাররফ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ আবু সুফিয়ান, বায়রা নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা আলী হায়দার চৌধুরী বাবলু, জাসদ নেতা নুরুল আকতার, বায়রন চৌধুরী, রাজিবুল আহসান সুমন, মনিরুল হুদা বাবন। খবর বাসস।

/এসটি/