পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল সংসদে

জাতীয় সংসদ ভবন (ছবি: সংগৃহীত)‘বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল-২০১৭’ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। কৃষি ও কারিগরি গবেষণার মাধ্যমে পাট ও পাট জাতীয় ফসলের উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনসহ পাটের বহুমুখী ব্যবহারের লক্ষ্যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে গবেষণার পরিচালনার লক্ষ্যে এই বিল উত্থাপন করা হয়।  বুধবার জাতীয় সংসদে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট পাট ও সমশ্রেণির আঁশ ফসলের কৃষি, কারিগরি ও অর্থনৈতিক গবেষণা নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন, পরিচালনা, আঁশজাত ফসল উৎপাদন এবং গবেষণার ফল সম্প্রসারণ করবে।

প্রস্তাবিত আইনে সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে বাংলাদেশের যেকোনও স্থানে এর আঞ্চলিক কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র স্থাপন করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইনস্টিটিউট পাট ও সমশ্রেণির আঁশ ফসল, পাটজাত পণ্য ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে গবেষণার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাইটলট প্রকল্প করতে পারবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড থাকবে। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বোর্ডের চেয়ারম্যান হবে। মহাপরিচালককে সরকার নিয়োগ করবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

বিলে আরও বলা হয়েছে, পাট সম্পর্কিত উদ্ভূত কোনও সমস্যা নিরসন বা পাটের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে কোনও প্রযুক্তি বা কৌশল উদ্ভাবনের জন্য ইনস্টিটিউট সরকারের অনুমোদন নিয়ে গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ নিয়োগ করতে পারবে।

প্রস্তাবিত আইনের উদ্দেশ্য কারণ সম্পর্কে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী জানান, ১৯৭৪ সালে ইনস্টিটিউট  প্রতিষ্ঠার পর তিনবার আইনটি সংশোধন করা হয়। সর্বশেষ সামরিক শাসনামলে ১৯৮৩ সালে এটি সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করা হয়

/ইএইচএস/এমএনএইচ/