ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কয়েকটি দেশে ভিসা পাওয়ার জন্য সরকার নির্ধারিত টাকার পরিমাণ উল্লেখ থাকলেও সর্বনিম্ন দ্বিগুণ থেকে শুরু করে চার-পাঁচগুণে বেশি টাকার বিনিময়ে বিদেশে শ্রমিকরা যাচ্ছেন।’
টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে অবৈধ ভিসা বিক্রি, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত চাহিদাপত্র তৈরি, ভিসা কেনা বাবদ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, ভিসা বিক্রি বা চাকরির ধরন বা বেতন সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য অভিবাসনকর্মীদের না জানা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, পুলিশ ছাড়পত্রে নিয়ম বহির্ভূত অর্থ আদায়, ভিসা স্টাম্পিংয়ে অর্থ আদায়-হয়রানি, ডেটাবেজ থেকে কর্মী না নিয়ে দালাল দিয়ে কর্মী সংগ্রহসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন আরও বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে অর্থের বিনিময়ে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে পেশাগত ভিসায় স্বল্প-দক্ষ বা আধা-দক্ষ কর্মীর জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
গবেষণা প্রতিবেদনটিতে শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে সমস্যা, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র উপস্থাপনের পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে টিআইবি।
সরকার বা মন্ত্রণালয় শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে ভূমিকা রাখার প্রয়োজন, তা মন্ত্রণালয় করতে পারছে বলে মন্তব্য করেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।
গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রস্তুত ও উপস্থাপনা করেন মনজুর-ই-খোদা ও শাহজাদা এম আকরাম।
/আরজে/এমএনএইচ/