জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন, ‘দেশের গ্যাসখাত জাতীয় মালিকানায় বিকাশ করলে সুন্দরবিনাশী প্রকল্প, দেশধ্বংসী রূপপুর প্রকল্প, এলএনজি কোনও কিছুই দরকার হবে না। সরকারের নীতিমালা জনগণ বা দেশের স্বার্থ চিন্তা করে নয়, বরং কতিপয় দেশি-বিদেশি ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থ পরিকল্পনাকে গ্রহণযোগ্য করবার জন্য দাঁড় করানো হচ্ছে।’
সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘চুরি আর লুটপাটকে বৈধতা দেওয়ার জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, মহাপরিকল্পনা করা হচ্ছে। দেশের স্বার্থবিরোধী কোনও কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়।’
সভায় অযৌক্তিভাবে গ্যাসের দামবৃদ্ধি ও রফতানিমুখী গ্যাস চুক্তির আয়োজন বন্ধ করে সুন্দরবন বিনাশী রামপাল প্রকল্প বাতিলসহ জাতীয় কমিটির ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
বিশিষ্ট ভূ-তত্ত্ববিদ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, ‘গ্যাস সংকট আছে, তবে সরকার যেভাবে একে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাচ্ছে সেরকম নয়। গ্যাস বিষয়ক যেকোনও পরিকল্পনাই হওয়া উচিত বাপেক্সকে কেন্দ্র করে। একে শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক মানের তেল, গ্যাস অনুসন্ধানকারী কোম্পানিতে রূপান্তর করা আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। সে দায়িত্ব পালন না করে ৯০ এর দশক থেকে বাপেক্সকে দুর্বল করার সরকারি প্রক্রিয়া শুরু হয়।’
মতবিনিময় সভায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর বদরুল ইমাম, ডক্টর এমএম আকাশ, গবেষক নুর মোহাম্মদ, মাহা মির্জা, মাহবুব সুমন, সাংবাদিক আরিফুজ্জামান তুহিন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বজলুর রশিদ ফিরোজ, মোশারফ হোসেন নান্নু, জোনায়েদ সাকি, ফখরুদ্দীন কবির আতিক, শহীদুল ইসলাম সবুজ, সুবল সরকার, মাসুদ খান প্রমুখ।
/এসটিএস/এমএনএইচ/