আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছয় মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) তাদের ভবন ছেড়ে যাবে। আদালতের রায়ের পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিজিএমই-এর প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমান একথা জানিয়েছেন।
বিজিএমই-এর কার্যালয়ে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘বিজিএমইএ একটি সম্মানজনক সংগঠন। কাজেই এটা ভাসমান থাকতে পারে না। সরকার আমাদের জন্য যে জায়গায় দিয়েছে আমরা সেখানেই চলে যাবো। উত্তরায় আমাদের নিজস্ব ভবনে চলে যাবো।’
ভবন ভাঙা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভবন কিভাবে ভাঙা হবে এবং ব্যয় কেমন হবে তা আমরা আলোচনার মাধ্যমেই ঠিক করবো। এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
রবিবার সকালে আপিল বিভাগ আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। প্রধান বিচারপতির এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে ভবন সরাতে ৩ বছর সময়ের আবেদন করেন। এ নিয়ে শুনানি শেষে তাদের ছয় মাস সময় বেঁধে দেওয়া হলো।
এর আগে ৫ মার্চ বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে কত সময় লাগবে, তা ৯ মার্চের মধ্যে জানিয়ে আবেদন করতে বলেছিলেন আপিল বিভাগ। ওইদিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ রিভিউ আবেদন খারিজ করে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার রায় বহাল রাখেন। গত বছরের ৮ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৫ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশিত হওয়ার পর রিভিউ আবেদন করেছিল বিজিএমইএ।
২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর থেকে সোনারগাঁও হোটেলের পূর্ব পাশে হাতিরঝিলের মধ্যে অবস্থিত ভবনটি বিজিএমইএ’র প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
/এসআই/এসটি/
আরও পড়ুন:
ছয় মাসের মধ্যে ভাঙতে হবে বিজিএমইএ ভবন