কাঠমাণ্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ছিল আলোচনা সভা। এ ছাড়া কাঠমাণ্ডু বিদ্যাকুঞ্জ স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতায়। তাদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন কাঠমাণ্ডুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামশ। এ সময় বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার ব্যাপক তাৎপর্য রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামশ বলেন, ‘আগামী দিনের সুনাগরিক হয়ে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর উচিত বঙ্গবন্ধুর মতো বিশ্বনেতাদের জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শন গভীরভাবে অধ্যয়ন করা।’
আমন্ত্রিত অতিথি ও শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুম্বাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার সামিনা নাজ। এরপর উপস্থিত বাংলাদেশি ও ভারতীয় শিশু-কিশোররা শিশু সম্মেলন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপ-হাইকশিনার এবং বিশেষ অতিথি সিএনএন-এর কলামিস্ট ও সংগীতশিল্পী বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ভারতীয়-ব্রাজিলিয়ান মিজ্ কারলিতা মোহিনী মারিয়া।
এদিকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককেও দিবসটি উদযাপন করেছে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস। এখানে ‘আমাদের হৃদয় বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসী শিশু-কিশোররা। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনিম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর প্রগতিশীল ও ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের প্রচার করে সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে আমাদের।’
/এসএসজেড/জেএইচ/