আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা ভুলে ভরা। সরকারের মহাপরিকল্পনায় পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে, বিদেশি কোম্পানি বঙ্গোপসাগরের গ্যাস উত্তোলন করে রফতানি করতে পারবে। আবার বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে, সুন্দরবনে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প হবে। তাদের কাছ থেকে এলএমজি আসবে। তার মানে দেশের গ্যাস সম্পদ বিদেশি কোম্পানি লুট করবে।’
গ্যাসের বাজার বাড়ানোর জন্য বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বোঝা বহন করতে হবে। লাখ-লাখ টাকা ঋণের বোঝা বহন করতে হবে।’ এ সময় তিনি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এই মন্ত্রণালয় বিদেশি কোম্পানির আস্তানায় পরিণত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস সংকট যদি থাকে, তাহলে সুন্দরবন বিনাশের কোনও যুক্তি হয় না। রূপপুরে দেশ ধ্বংস-প্রকল্পের কোনও যুক্তি থাকে না। এলএমজি আমদানি প্রকল্পের কোনও যুক্তি থাকে না।’
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘গ্যাস সংকট সমাধানের একমাত্র উপায় গ্যাস অনুসন্ধান। যদি সেই সংকট সমাধেনের জন্যএমন চুক্তি করা হয় যে, গ্যাস বিদেশে রফতানি করা হবে, তাহলে আন্তর্জাতিক দরের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হবে। গ্যাস সংকটের সমাধান কোনও দিন হবে না। সরকারের কিছু লোকের উন্নয়ন হবে।
/আরএআর/এমএনএইচ/