অনুষ্ঠানে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘জনদুর্ভোগ মোকাবিলায় জনগণকে সম্পৃক্ত রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে গ্রাম ও শহরবাসীকে স্পষ্ট ধারণা দিয়ে সচেতন করে তুলতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দুর্যোগজনিত দুর্ঘটনা মোকাবিলার জন্য কমিউনিটি লোকজনের সচেতনতা, সম্পৃক্ততা ও দক্ষতার বিকল্প নেই। তাদের বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলার কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে হবে, সক্রিয় রাখতে হবে।’ বড় ধরনের ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা না থাকলেও ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে অবকাঠামোগত ও জনবলগত সক্ষমতা অর্জনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী জানান, দুর্যোগকালে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ওপর বিশেষ নজর ও মনোযোগ দিতে আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় প্রতিবন্ধিতা ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করা হবে।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনের দুর্যোগজনিত দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনা কৌশলের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব মো. শাহ্ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদুত মার্সিয়া বার্নিকাট, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ আলী খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
/ওএফ/টিআর/