জানা গেছে, ফোরাম অফ ওম্যান পার্লামেন্টারিয়ানদের মিটিংয়ে সভাপতিত্ব করবেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মনি। যেখানে ২০১২ সালে গৃহীত জেন্ডার সেনসিটিভ পার্লামেন্টের অ্যাকশন প্ল্যানের ফলোআপ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনের জন্য নারী ক্ষতায়ন এবং রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
এছাড়াও ২০৩০ সালের মধ্যে লিঙ্গ সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন টেকসই উন্নয়নে কীভাবে সহায়তা করবে, নারীর অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ, বাল্য বিয়ে বন্ধের ব্যবস্থা ও এ বিষয়ে সংসদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন বক্তারা।
জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সংসদে ২৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব আছেন। গত বছর যা ছিল ২২ শতাংশ। সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ এভাবে বাড়তে থাকলে নারী-পুরুষ সমতা অর্জন করতে আরও ৫০ বছর প্রয়োজন।
এছাড়া ছয়টি জিওপলিটিক্যাল গ্রুপের চেয়ারপার্সন এবং একাধিক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রেসিডেন্টদের মধ্যে একটি বৈঠক, মানবাধিকার কমিটির একটি বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে একটি বৈঠক, এবং এইডস, মাতৃত্ব সেবা, নবজাত শিশু এবং শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
জানা গেছে, পাচঁদিনব্যপী এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান যা দেশের ভাবমূর্তিকে একটি অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এবারের অনুষ্ঠানে ১৬৪টি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে ১৩২ সংষদীয় প্রতিনিধিদল। বাকিরা পর্যবেক্ষক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এবারে ৪৫ জন স্পিকার এবং ৩৭ জন ডেপুটি স্পিকার অংশ নেবেন। আইপিইউ’র ১৩৮ বছরের ইতিহাসে এবারের অনুষ্ঠানটি হবে গ্রিন কনফারেন্স এবং এবারের অনুষ্ঠানে আইপিইউ ওয়েব টিভি উদ্বোধন করা হবে।
আইপিইউ এর সাসটেইনাবেল ডেভেলপমেন্ট, ফিন্যান্স অ্যান্ড ট্রেড স্ট্যান্ডিং কমিটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ নিয়ে আরেকটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করবে। যেখানে নারী ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে এবং খসড়া প্রস্তাবের অনেক উপাদান বাংলাদেশে প্রায়োগিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।
এছাড়া বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে অভিবাসন সমস্যা, পার্লামেন্ট ইন ডিজিটাল ইরা ও যুব সম্প্রদায়ের স্বাস্থ্য উন্নয়নসহ আরও অনেক বিষয়ে আলোচনা হবে।
/এসএসজেড/এসএনএইচ/