সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন আইপিইউর সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং এ তথ্য জানান।
মার্টিন চুংগং বলেন, ‘হতাশা, সামাজিক অসমতা, অবিচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সুযোগের অভাব থেকে সহিংস সন্ত্রাসবাদ জন্ম নেয়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলার কৌশলে আমরা এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেই কৌশলটা প্রস্তাব করা হবে, সেখানে অনেকগুলো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যা সন্ত্রাসবাদ রুখতে গ্লোবাল পার্লামেন্টারি কমিউনিটিকে সাহায্য করবে। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সব ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৈষম্য দূর করতে এবং মানবিক মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পার্লামেন্ট কীভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে-তা খসড়া প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
মার্টিন বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ স্থিতিশীল বিশ্ব ও শান্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। কোনও দেশই এই হুমকির বাইরে নয়। এজন্য আমাদের একটি বৈশ্বিক সমাধান প্রয়োজন। কাজেই কিছু ঘটে যাওয়ার আগেই সন্ত্রাসবাদ তৈরির কারণগুলোকে চিহ্নিত করে তা নির্মূল করতে হবে।’
মঙ্গলবার আইপিইউ’র নির্বাহী কমিটিতে এসব বিষয়ে অবহিত করবেন বলেও জানান মার্টিন।
/ইএইচএস/এসএনএইচ/