বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের ‘হল অব ফেইমে’ সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘অসমতা বৃদ্ধির মাত্রা মানবাধিকার এবং সমাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো মানবকল্যাণ বা আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতাকে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করে। এসডিজি অর্জনে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নানামুখী কর্ম পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন, যা সরকারি, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ ও জনগণের অংশগ্রহণে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অসমতা নিরসন করা সম্ভব।’
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত আইনের মধ্যে কোন বৈষম্য নেই উল্লেখ করে প্রতিনিধি প্রধান বলেন, ‘আমরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবন্ধীদের ক্ষমতায়ন করছি। মানবকল্যাণের বিকাশ ঘটাতে অসম্য দূরীকরণই হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের সংসদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এসডিজি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। সংসদ সদস্যদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অসমতা রোধ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী, নারী এবং সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।’
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘ভিশন-২০২১ সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বিকাশ ঘটাতে বাংলাদেশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এ লক্ষ্য পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে বাংলাদেশ মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে।’
‘রিড্রেসিং ইনইকুয়ালিটিজ: ডেলিভারিং অন ডিগনিটি অ্যান্ড ওয়েল বিং ফর অল' প্রতিপাদ্য নিয়ে শনিবার শুরু হওয়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংসদীয় ফোরামের এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশের ১৭ সদস্যদের প্রতিনিধি দল অংশ নিচ্ছে।
/ ইএইচএস/ এমএনএইচ/