গত ২৯ মার্চ মাদারীপুরের সদর থানার ওসি জিয়াউল মোরশেদ ও এসআই মো. মাহাতাবকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে আগামী ৮ মের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয় পুলিশের আইজিপিকে। পরে এ আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। আদালতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমীন উদ্দীন। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার।
এর আগে গত ২১ মার্চ মাদারীপুর সদর থানার ওসি জিয়াউল মোরশেদ ও এসআই মো. মাহাতাবকে তলব করেন হাইকোর্ট। অমানবিকভাবে দুই মাকে ১৩ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনাকে কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুলও জারি করা হয়।
ঘটনার বিবরণী বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী রানা কাওসার সাংবাদিকদের জানান, গত ১২ মার্চ বিরোধপূর্ণ একটি জমির তদন্ত কাজে যান মাদারীপুর সদর থানার এসআই মাহাতাব হোসেন। এ সময় তিনি লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার বিরোধপূর্ণ জমির পাশের বাড়ির খালেক বেপারীর ছেলে পনির হোসেনের কাছে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চান। পনির হোসেন মামলার বিষয়ে কিছু জানে না বললে এসআই মাহাতাব তাকে থাপ্পড় মারেন। পরবর্তীতে সদর থানা থেকে তিন গাড়ি পুলিশ নিয়ে পনিরের বাড়িতে তাণ্ডব চালানো হয়। এক পর্যায়ে পনিরের স্ত্রী ঝুনু বেগম ও তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী আকলিমা বেগমকে টেনে-হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হলেও তাদের তিন মাস ও ১৮ মাসের শিশুকে কোল থেকে রেখে যেতে বাধ্য করে পুলিশ।
/এমটি/ইউআই/এফএস/
আরও পড়ুন-
প্রশ্নফাঁসের সিন্ডিকেটে ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২৪ কোচিং সেন্টার