সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ওলামা মহাসম্মেলনে থাকবেন সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম ও মসজিদুন নববী কর্তৃপক্ষের ভাইস প্রেসিডেন্ট শায়খ ড. মুহাম্মদ বিন নাসের আল খুযাইম এবং মসজিদুন নববীর ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মদ আল কাশিম। সম্মেলনে জঙ্গিবাদ বিরোধী, শান্তি ও সম্প্রতির বার্তা তুলে ধরা হবে।
সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত মসজিদের ইমাম ও খতীব, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের ৬৫ হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী, ৯০ হাজার প্রশিক্ষিত ইমাম, ৬১ হাজার ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্যসহ জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আলেম-ওলামা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে আগতদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছেন সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম ও মসজিদুন নববী কর্তৃপক্ষের ভাইস প্রেসিডেন্ট শায়খ ড. মুহাম্মদ বিন নাসের আল খুযাইম এবং মসজিদুন নববীর ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আবদুল মুহসিন বিন মুহাম্মদ আল কাশিম। সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘সৌদি আরব থেকে অতিথি আসবেন। তাদের বক্তব্য শুনতে এসেছি।’
চাঁদপুর থেকে আসা মাওলানা শাহজালাল বলেন, ‘দেশ ও বিদেশের প্রখ্যাত আলেমরা আসবেন। খ্যাতিমান ক্বারিরা তেলাওয়াত করবেন। এজন্য আগ্রহ নিয়ে এসেছি।’
এদিকে এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। সম্মেলন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর ২৫টি পয়েন্টে যান চলাচল বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ। সিসিটিভি ক্যামেরার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে তিনটি অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে। উদ্যানের আশপাশের এলাকায় সোয়াট ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরাও থাকবেন। সম্মেলনে প্রবেশের পথ হচ্ছে- ছবিরহাট, টিএসসি, বাংলা একাডেমি, তিন নেতার মাজার ও কালি মন্দিরের গেট। গেটগুলোতে আর্চওয়ে থাকবে, মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করবেন পুলিশ সদস্যরা।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম।
/সিএ/এফএস/