অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, ‘ঘরে-বাইরে, কর্মস্থলে একটি হাসি-খুশির পরিবেশ বজায় রাখতে পারলে এ সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষণ্নতা প্রতিরোধ এবং এর সঠিক সেবাদানে যা যা করণীয়, তার সবকিছুই করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
সেমিনারে জানানো হয়, বিষণ্নতা মানে মানসিক দুর্বলতা নয়। এতে যে কেউ যেকোনও সময় আক্রান্ত হতে পারে। বাংলাদেশে বিষণ্নতায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৭৩ লাখ ৬০ হাজার, এর মধ্যে ৩৪ শতাংশ মানুষ দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক রোগে আক্রান্ত। কিন্তু সচেতনতার অভাবে বা এ নিয়ে লজ্জাবোধের কারণে বিষণ্নতায় আক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষই মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন না। যে কারণে দিন এ সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ঝুনু শামসুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। আরও বক্তব্য রাখেন মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এস আই মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম এম এ সালাউদ্দীন কাউসার প্রমুখ।
জেএ/ এমএনএইচ/