গত বছর ব্রেক্সিট গণভোটের আগে জাপানে জি-৭ আউটরিচ প্রোগ্রামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ডেভিড ক্যামেরনের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে ব্রেক্সিটের বিপক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানের কথা জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ব্রেক্সিট সমর্থন করায় প্রেক্ষাপটে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়।
ব্রেক্সিট শিরোনামে গত বছরের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত গণভোটে যুক্তরাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগ করার পক্ষে রায় দেয়। ওই গণভোটে ইইউয়ের সঙ্গে থেকে যাওয়ার পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন ক্যামেরন। পরে ভোটের ফলাফল তার পক্ষে না আসায় তিনি নৈতিক পরাজয় মেনে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন থেরেসা মে। তার নেতৃত্বে এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের ইইউ ত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন-
এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
বর্ষবরণে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে চারুকলায়
দেশব্যাপী পর্যাপ্ত নিরাপত্তায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
/এসএসজেড/টিআর/