‘ট্যানারি সরেছে, দূষণ সরাবে কে?’ শীর্ষক বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকি শুরু

বাংলা ট্রিবিউন বৈঠকিট্যানারি সরেছে, দূষণ সরাবে কে? এমন বিষয় নিয়েই বাংলা ট্রিবিউনের আজকের বৈঠকি শুরু হয়েছে। “ট্যানারি সরেছে, দূষণ সরাবে কে?” শীর্ষক এই বৈঠকি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৭১ সরাসরি সম্প্রচার করছে। পরিবেশ অধিদফতর, ট্যানারি ওয়ার্কার এসোসিয়েশন, রাসায়নিক পর্দাথ আমদানিকারক, গবেষক, সাংবাদিক চলমান সংকট ও উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন এই বৈঠকিতে।

সরাসরি বৈঠকি দেখতে চোখ রাখুন চ্যানেল ৭১ এর পর্দায় এবং এ সম্পর্কিত সব সংবাদ পড়ুন www.banglatribune.com এ।

রাজধানীর হাজারীবাগের ট্যানারিগুলো গত ৬ মার্চ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের একটি দ্বৈতবেঞ্চ। উচ্চ আদালতের নির্দেশে ৮ এপ্রিল দিনব্যাপী হাজারীবাগের সবগুলো ট্যানারি কারখানার বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদফতর। আদলতের নির্দেশে হাজারীবাগ এলাকা ট্যানারিমুক্ত হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। ট্যানারি মুক্ত হলেও হাজারীবাগের দূষিত পরিবেশ কেমন করে স্বাভাবিক হবে সে প্রশ্ন জনমনে। হাজারিবাগের বাতাসে উদ্ভট গন্ধ থাকবে আরও অনেকদিন। গন্ধ কবে নাগাদ পুরোপুরি দূর হবে তা জানেন না কেউ। পানি খাওয়া তো দূরের কথা দৈনন্দিন কাজেও ব্যবহার করা যায় না। এ এলাকার আসল মাটি খুঁজে পাওয়া দায়। মাটি খুড়লে স্তরের পর স্তর পাওয়া যায় গরু, মহিষ বা ছাগল ভেড়ার পরিত্যক্ত চামড়া,শিং,হাড়সহ উচ্ছিষ্টাংশ।

দূষণ মুক্ত করতে করনীয় নিয়ে সৈয়দ ইশতিয়াক রেজার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে অংশ নিয়েছেন পরিবেশ অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ হাশমী,বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান,ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট  আবু কালাম আজাদ, আবদুর রব পাবলিক কলেজের শিক্ষক ও হাজারীবাগের অধিবাসী অমূল্য কুমার বৈদ্য, রাসায়নিক পদার্থ ব্যবসায়ী খন্দকার আহাদ আহমেদ,ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড  টেকনলজির  পরিচালক মো. আফতাব আলী শেখ ও বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।

বৈঠকি চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।

/সিএ/এফএএন/