মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘আসন বিবেচনা করে বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিটি ৩১ আসনের মিনিবাসে ৬টি সিট খালি নিয়ে সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় সিটিং হিসেবে যাতায়াত করার কথা। উন্নত বিশ্বে সেটাই হয়ে থাকে। কিন্তু নগরীতে চলাচলকারী প্রতিটি বাসে নিবন্ধনের অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫টি আসন সংযোজন করায় সিটিং হিসেবে চলাচল করলেও ১০ থেকে ১৫ জন যাত্রী এমনিতেই অতিরিক্ত বা ওভারলোড থাকে। যা আইনগত নিষিদ্ধ।’
যাত্রীদের শায়েস্তা করতে মিরপুর রুটের অধিকাংশ বাসে মাস্তান প্রকৃতির কিছু লোক রাখা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘বাড়তি ভাড়া নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুললে তারা যাত্রীদের নানাভাবে অপদস্ত করছেন।’
মোজাম্মেল হক বলেন, সিটিং সার্ভিসের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় দ্রুত বন্ধ করা না গেলে সেটি অচিরেই বৈধতা পেয়ে যাবে। কারণ অতীতেও মালিকদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাত্রীরা অনিয়মের কাছে আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়েছে। এ জন্য এসব অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনকে আরও দৃঢ় হওয়া উচিত।’
/আরএআর/এসএনএইচ/