আলোচনায় অংশ নিয়ে বাদল বলেন, ‘দেশের অর্থ এভাবে পাচার হবে আর পাচারকারীদের হাত অনেক লম্বা বলে অর্থমন্ত্রী খালাস হয়ে যাবেন। এইভাবে টাকা পাচার হলে আমাদের নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছাতে হবে না। পেছন দিকে কোথায় পৌঁছাব সেটা বিবেচনা করতে হবে।’
সমাজের একটি অংশের কাছে যদি এভাবে টাকা জমা পড়ে তাহলে আগামী দিনের সংসদ অর্থচোরদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘দে উইল পার্সেস এভরি থিং। দে উইল পার্সেস ল’- দে উইল পার্সেস পার্লামেন্ট। সেই কারণে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে এ বিষয়ে আপনার পরিস্কার জবাব চাই। এগুলোর বিষয়ে প্রকৃতপক্ষে কী কী করেছি। আমরা এগুলো রোধ করার চেষ্টা করেছি কিনা। কোনও বিধি-বিধান তৈরি করছি কী না। এই বিষয়গুলি যদি সংসদের চোখ এড়িয়ে যায় তাহলে দেশের সর্বনাশ হয়ে যাবে।’
বুধবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত অর্থপাচারের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বাদল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘গত ২০০৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৬ লাখ ৬ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে পাচার হয়েছে ৭২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। এই ৮ বা ৯ বছর সময়টা আমাদের সরকারের আমল। সেজন্য উনি (অর্থমন্ত্রী) সংসদকে উত্তর দিন।’
বাদল আরও বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীকে দেখছি টাকা যোগাড়ের চেষ্টায় মূসক নিয়ে ব্যবসায়ীদের চূড়ান্ত বিতর্ক করছেন। কিন্তু এই যে জাতির কাছ থেকে ৬ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা চলে গেল এটা নিয়ে কোনও কথাবার্তা নেই। এটা কোনও শুভ লক্ষণ নয়।’
/ইএইচএস/এমও/