এর আগে, গত ৩০ জানুয়ারি বিলটি সংসদে তোলেন কৃষিমন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘পারমাণবিক কলাকৌশল ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষণার মাধ্যমে আবহাওয়া ও পরিবেশ উপযোগী শস্যের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকসই ও উৎপাদনশীল একটি কৃষি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, মাটি ও পানির আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, যথোপযুক্ত প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে শস্যের গুণগতমান উন্নত ও পরিমাণ বাড়ানো, রোগ ও পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ এবং তার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন করার উদ্দেশ্যে খসড়া আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।’
বিলে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট কৃষিতাত্ত্বিক, শস্য শারীরতাত্ত্বিক এবং মৃত্তিকা-উদ্ভিদ বিষয়ক গবেষণা পরিচালনা করবে।
/ইএইচএস/টিআর/