এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির জন্য বাজারের কথা চিন্তা করে এরই মধ্যে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিচারপতি নিজামুল হককে চেয়ারম্যান করে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। কমিটিতে সাংবাদিক-কর্মচারীরা তাদের প্রতিনিধি দিয়েছেন। মালিকপক্ষ এখনও প্রতিনিধি দেয়নি। প্রতিনিধি দেওয়ার জন্য তাদের তাগাদা দেওয়া হয়েছে। মালিকপক্ষের প্রতিনিধি পেলেই দ্রুত নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হবে।’
সাংবাদকর্মীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিতে সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বেতন-ভাতা বৃদ্ধির জন্য ত্রিপক্ষীয় কমিটি কাজ করে থাকে। এই কমিটিতে সাংবাদিক প্রতিনিধি, কর্মচারী প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধি থাকেন। সরকার কেবল তিনটি পক্ষের মধ্যে মধ্যস্ততার কাজটি করে থাকে। মন্ত্রী বলেন, ‘বাজারের পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ওয়েজ বোর্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেবে। তা বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, সেটা মনিটরিং করবে সরকার।’
গত মার্চ মাসে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
২০১৫ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অষ্টম বেতন কাঠামো অনুমোদন করে সরকার। এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর থেকেই সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন সরকারি বেতন কাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে।
সর্বশেষ ২০১২ সালে সংবাদপত্রের কর্মীদের জন্য মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ্য ভাতা ঘোষণা করেছিল সংবাদপত্রের অষ্টম ওয়েজ বোর্ড। পরের বছরই ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন-
একাদশে ভর্তির আবেদন ৯ মে থেকে শুরু
জয়কে নিয়ে কোনও খোয়াব ভবন নেই: ওবায়দুল কাদের
প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি: প্রতিবেদন দাখিলের দিন ফের পেছালো
/ইএইচএস/