কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় ১৯৭৬ সালে অধ্যাদেশ জারির পর ১৯৮৪ ও ১৯৯৬ সালে দুই দফা তা সংশোধন করা হয়।
উচ্চ আদালতে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল হওয়ায় সামরিক আমলের জারি করা সব অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যায়।
ওই আইনগুলোর কার্যকারিতা রক্ষা করতে নতুন আইন করার উদ্যোগ নেয় আওয়ামী লীগ সরকার। এর অংশ হিসেবে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল আনা হয় সংসদে।
আইনের বিলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ, ইনস্টিটিউটে নতুন জাতের বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, কৃষিতে আইসিটির প্রয়োগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শস্য উৎপাদনের জন্য পঞ্জিকা তৈরি ও তা প্রকাশের বিধান রাখা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় দেশি ও বিদেশি প্রশিক্ষণ এবং উচ্চশিক্ষা প্রদানে ইনস্টিটিউট ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) চলমান কাজের বর্ণনা করে বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষি গবেষণা অপরিহার্য বিবেচনায় কৃষিক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ‘দ্যা বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউট অর্ডিন্যান্স-১৯৭৬’ অধ্যাদেশটি রহিত করে বাংলা ভাষায় নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।’
/ইএইচএস/এসএমএ/
আরও পড়ুন
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল উত্থাপন
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সুফল ভোগ করছে দেশের অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী