নারাণগঞ্জের সাত খুন মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আপিল শুনানিতে ৭ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সলিসিডর অফিসকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় হাইকোর্টের ৫ নম্বর আদালতে আদেশের জন্য রাখা ছিল ডেথ রেফারেন্স। এ মামলার ২৬ পলাতক আসামির জন্য রাষ্ট্রীয় আইনজীবী (স্টেট-ডিফেন্স) নিয়োগ ও আসামিদের আপিল বিষয়ে আদেশের জন্য রাখা ছিল। এরইমধ্যে জামালউদ্দিন নামে এক পলাতক আসামি আত্মসমর্পণ করলে আদালত মামলাটি মুলতবি করে আদেশে জন্য দিন নির্ধারণ করে দেন।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। এরপর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে সাতটি লাশ। নিহত বাকিরা হলেন, নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম।
এর আগে ৭ মে সাত খুন হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের পেপারবুক (মামলার সারসংক্ষেপ) সরকারি ছাপাখানা থেকে হাইকোর্টে এসে পৌঁছে। সেইদিন হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচার ও প্রশাসন) মো. সাব্বির ফয়েজ সাংবাদিকদের বলেন, পেপারবুক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুত হয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছেছে। প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টের বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে কার্যতালিকায় আসবে।
১৬ জানুয়ারি সাত খুন মামলায় ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ২৩ জন।
/এমটি/ইউআই/এসটি/