চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত আটকাতে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে সম্পদের হিসাব নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের কোনও ভূমিকা ছিল কিনা তা নির্ধারণ হওয়া জরুরি।
চিঠির বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েক দশক ধরে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে জড়িত ইউনূস। তার কোম্পানি ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভকে এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলার এবং ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার দেয়। আর ইউনূসের পক্ষে হিলারি ক্লিনটনের স্বামী বিল ক্লিনটন নিজে নোবেল কমিটির কাছে তদবির করেছেন এবং ২০০৬ সালে তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আইনি বৈধতার প্রশ্নে ২০১১ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সরিয়ে দেয় সরকার। সে সময় ড. ইউনূসের সঙ্গে ক্লিনটন ফাউন্ডেশন, হিলারি ক্লিনটন এবং পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তাদের বেশ কিছু ইমেইল আদানপ্রদান হয়।
/এসএনএইচ/টিএন/