‘সবই তো খালি, দোকান খুলে কী হবে’

আপন জুয়েলার্সের সোনা জব্দ

আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুমই আজ সোমবার থেকে খোলা যাবে বলে জানিয়েছিল শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান। কিন্তু সোমবার এ প্রতিষ্ঠানের একটি দোকানও খোলেনি মালিকপক্ষ। এ বিষয়ে আপন জুয়েলার্সেও এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সবই তো খালি। দোকান খুলে কী হবে। দোকান খোলার বিষয়ে এখনও মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।’

সোমবার শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুমই খোলা। চাইলে আজ থেকেই তারা শোরুম গুলো খুলতে পারবে।

এ বিষয়ে সীমান্ত স্কয়ারের আপন জুয়েলার্সের শাখার ম্যানেজার ইফতেখার আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শো-রুম খুলে আর কী হবে। সবই তো খালি। তবে কয়েকদিনের মধ্যে তারা শোরুমগুলো খুলে পরিষ্কার করবেন। এরপর মালিকপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।’

আপন জুয়েলার্সের সোনা জব্দ

রবিবার প্রতিষ্ঠানটির পাঁচটি শোরুম থেকে ১৫ দশমিক ১৩ মণ স্বর্ণ, ৭ হাজার ৩৬৯ পিস হীরার অলংকার, নগদ ৬৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ১০০ ডলার জব্দ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। যার আনুমানিক মূল ২৮৪ কোটি টাকা। এরপর শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ শোরুমগুলো মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চোরাচালানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও অনুসন্ধানের ভিত্তিতে গত ১৩ ও ১৪ মে অভিযান চালানো হয় আপন জুয়েলার্সের ৫টি শোরুমে। এসময় বিপুল স্বর্ণ ও হীরা আটক করে শোরুমগুলোতে সিলগালা করে রাখা হয়। পরে তিনদফা সময় ও সুযোগ দেওয়ার পরও আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ এসবের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এরপরই শুল্ক গোয়েন্দা শোরুম থেকে জব্দ করা স্বর্ণ ও হীরা জব্দের সিদ্ধান্ত নেয়।

 /জেইউ/এসটি/