মুজিবুল হক বলেন, ‘স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও রেলওয়ের অন্যান্য বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় পর্যায়ক্রমে অবৈধভাবে দখল করা ভূমি দখলমুক্ত করা হচ্ছে।’
সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম সুজনের প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবহৃত ভূমির পরিমাণ ১০ হাজার ৮৪৩ দশমিক ১৫ একর। রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিতে পিপিপির আওতায় আধুনিক হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ, আন্তর্জাতিক মানের ৫ তারকা হোটেল-কাম-বাণিজ্যিক ভবন, বহুতল বিশিষ্ট শপিং মল-কাম-গেস্ট হাউস ইত্যাদি নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।’
/ইএইচএস/এসএনএইচ/