দণ্ড পাওয়া আসামিদের মধ্যে মো. খোরশেদ আলম উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক আছেন। তাকে আদালত মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হজার টাকা জরিমানা করেছেন। আসামি মেহেদী হাসান শামীমকে ২০১৩ সালেরা শিশু আইনে ১০ বছরের কারাদণ্ড, তার মা নাছিমা বেগমকে খালাস এবং বোন মিতু আক্তারকে এক বছর কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে একমাস কারাদাণ্ড দিয়েছেন আদালত।
তবে আসামি মিতু আক্তারের আইনজীবী আপিলের শর্তে তার জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। কারণ তার নয় মাসের সন্তান আছে।
অপর আসামি মোতাহার হোসেন ঘটনার পর র্যাবের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।
রায়ের পর শিশু আব্দুল্লাহর মা রীনা বেগম আদালত প্রাঙ্গণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি ছেলে হত্যার সঠিক বিচার পাইনি। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।’
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি দুপুরে খেলার মাঠ থেকে আবদুল্লাহকে অপহরণ করে অহরণকারীরা। একই বছর ৩১ জানুয়ারি শিশুটির নানা মারফত আলী কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ ও র্যাবের সদস্যরা আবদুল্লাহর বাড়ির মাত্র ১০০ গজ পশ্চিমের এক দোতলা বাড়ির একটি কক্ষ থেকে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরা আবদুল্লাহর গলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে।
ওই বছরের ৯ মার্চ ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা খাতুনের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন।
/এসআইটি/এসএনএইচ/