অন্যান্য বছরের তুলনায় কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপনার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় যাত্রী ভোগান্তি কমেছে। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনের টিকিট নিশ্চিত করতে গভীর রাত থেকে স্টেশনের লাইনে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে।
রাজশাহীগামী যাত্রী ইশরাত জাহান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি বন্ধ হয়েছে। বাড়িতে সবার সঙ্গে ঈদ করবো। তাই সকালে এসেই লাইনে দাঁড়িয়েছি। যে পরিমাণ উপস্থিতি দেখছি মনে হচ্ছে টিকিট পাবো না। কিন্তু অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে টিকিট পাওয়ার পর কাউন্টার বলছে এখনও ৬০ শতাংশ টিকিট রয়েছে। তখন বুঝে নিলাম সবাই টিকিট পাবে।’
অন্যদিকে, রোজ রেখে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর ক্লান্তি দেখা গেছে অনেক যাত্রীর মধ্যে। লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর অনেকেই পত্রিকার পাতা কিংবা অন্য কিছুর ওপর বসে পড়েছেন।
যাত্রী আসমা খাতুন পারবতীপুরের টিকিট প্রত্যাশী। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকাল ৬টার দিকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। ততক্ষণে তার সামনে কয়েক শত মানুষের উপস্থিতি রয়েছে। বেলা সাড়ে ১০টার পর আমি টিকিট পেয়েছি।’
জানতে চাইলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকিট রয়েছে। অনেকেই না বুঝে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করছে। দুপুরের পর আর যাত্রী তেমন একটা থাকে না। টিকিটও প্রায় শেষ হয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে কোনও অনিয়ম ঠেকাতে আমাদের পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী রয়েছে। এখানে কালোবাজারীদের কোনও সুযোগ নেই। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেওয়া হবে ২৪ তারিখের অগ্রিম টিকিট।’
/এসএস/এসএনএইচ/