আইএসপিআর থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, সেনাবাহিনীর রাঙ্গামাটি অঞ্চলের পক্ষ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিগ্রেড সদর, রাঙ্গামাটি অঞ্চল ছাড়াও এসএসডি, সিগন্যালস এবং বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ২০০ সদস্য উদ্ধার ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের কাজে জড়িত রয়েছেন।
মেজর ইফতেখারের নেতৃত্বে ১৯ ইসিবির একটি দল চট্টগ্রাম সেনানিবাস থেকে ঘাঘড়া পর্যন্ত রাস্তা যানচলাচলের উপযোগী করে রাঙ্গামাটির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মেজর তৌহিদের নেতৃত্বে ১৯ ইসিবির ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়নের ৪০ সদস্যের একটি দল প্রয়োজনীয় সরঞ্জামানসহ পাহাড় ধস রোধে সেনানিবাস এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কে ১৯ ইসিবি ও সড়জ এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম থেকে ঘাঘড়া পর্যন্ত যান চলাচল মোটামুটি স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। ঘাগড়া এবং মানিকছড়ির মধ্যবর্তী স্থানে রাস্তাটি ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখানে সাতছড়িতে ১০০ মিটার রাস্তা সম্পূর্ণ দেবে যায়। ফলে পাহাড় কেটে বিকল্প রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর।
এদিকে, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। প্রায় এক হাজার লোকের মধ্যে খাদ্য ও পানিসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
/জেইউ/এমএ/এসএমএ/