মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, খসড়া আইনেও আগের মতোই ‘উপজেলা সেচ কমিটি’র গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, যা উপজেলা পরিষদের নির্দেশনায় পরিচালিত হবে।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সামরিক শাসনামলে প্রণীত ‘দ্য গ্রাউন্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫’-কে বাংলায় অনুবাদ করে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদ নলকূপের লাইসেন্স স্থগিত ও বাতিল করতে পারবে। বিদ্যমান নলকূপগুলোকে সময় দিয়ে লাইসেন্স নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। যদি কোনও লাইসেন্স এক বছরের মধ্যে তিনবার স্থগিত হয়, তবে উপজেলা পরিষদ শুনানি দিয়ে তা বাতিল করে দিতে পারবে বলে নতুন আইনে বলা হয়েছে। সেচ কমিটির গঠন ও তার কাজের পরিধি নির্ধারণে একটি বিধি তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি। লাইসেন্স দেওয়ার আগে কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। কোনও জায়গায় নলকূল স্থাপনের প্রয়োজন আছে কিনা, সেটা দেখবে। নিকটবর্তী নলকূপের দূরত্ব কতটুকু তাও দেখবে।
/এসআই/ এমএনএইচ/