এডিস মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি)। এজন্য নাগরিকদের সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ, র্যা লি, আলোচনা সভা, মাইকিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খোলা হয়েছে জরুরি তথ্যকেন্দ্র। এ রোগকে কেন্দ্র করে সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
একই সময়ে দক্ষিণ সিটির মহানগর মহিলা কলেজ ও নবাবপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। সভায় করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি চিকুনগুনিয়া বিষয়ে শিক্ষার্থীরদের নিজ নিজ বাড়ি-ঘর ও আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান।
এছাড়া, এডিস মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে জরুরি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রও চালু করেছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। দক্ষিণ নগর ভবনে অবস্থিত এ তথ্য কেন্দ্রের সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন ডিএসসিসি সচিব মো. শাহাবুদ্দিন।
সম্প্রতি ঢাকা মহানগরীতে এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান ও মশক নিধন কার্যক্রমে জরুরি তথ্য আদান প্রদানের সুবিধার্থে এ তথ্যকেন্দ্র চালু ও সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান শুরু করা হয়। এ সংক্রান্ত লিফলেটও বিতরণ করা হচ্ছে।
চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সিটির মেয়র মো. সাঈদ খোকন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চিকুনগুনিয়া মোকাবিলায় স্পেশাল লার্ভিসাইডিং এবং ফগিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে টেলিভিশনে বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন সভা-সমাবেশ চলমান রয়েছে।’
এতে আরও বলা হয়, মশার বংশবিস্তারের স্থানগুলো ধ্বংস করতে হবে। বাসা-বাড়ির আশপাশে মাটির পাত্র, কলসি, খোসা, বালতি, ড্রামসহ যেসব জায়গায় পানি জমতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। এসির পানি যেন জমে না থাকে, সে দিকে নজর রাখতে হবে। কোথাও যেন পানি জমতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখার কথা বলা হয়।
/এসএস/এমও/