সাভার থানায় দায়ের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার জঙ্গি আহসান হাবিব ও আল আমিন মঙ্গলবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. শাহিনুর রহমানের খাস কামরায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। গত ৭ জুলাই সাভার থেকে রাজবাড়ীর হাবিব ও সাভারের আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।
দু’দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই সৌমেন মৈত্র। আদালত সূত্রে জানা যায়, জবানবন্দিতে হাবিব ও আল আমিন স্বীকার করে তারা দুজনেই নব্য জেএমবির শূরা সদস্য। হাবিব ছিল টেইলার্স মাস্টার আর আল আমিন গাড়িচালক। জবানবন্দিতে তারা বলে,আবু উমর নামে নব্য জেএমবির এক শীর্ষ জঙ্গি তাদের (হাবিব ও আল আমিন) মিয়ানমার ও সিরিয়ায় প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর কথা বলেছিল। আবু উমর বলেছিল, ‘প্রশিক্ষণ না নিলে তোমরা জিহাদি হতে পারবে না। মিয়ানমার ও সিরিয়ায় মুসলমানদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তাই ওইসব দেশে গিয়ে ইসলামবিরোধীদের শায়েস্তা করতে হবে।’ আবু উমর নব্য জেএমবির দাওয়াতে ইসলামের প্রধান বলে জানা গেছে। এ শাখা সংগঠনে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও মগজধোলাইয়ের কাজ করে।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষে দুই জঙ্গিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। ২৮ মে সাভার থেকে তিন জঙ্গি- মনির হোসেন, কামাল হোসেন ও তৌহিদুল ইসলাম তুহিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওইদিন সাভার থানার এসআই জামাল হোসেন তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এই মামলায় হাবিব ও আল আমিনকেও গ্রেফতার দেখানো হয়।
/এসআইটি/এএম