বুধবার (১২ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে নারায়ণগঞ্জ ও খুলনায় পুলিশ ও দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদ ও রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রবিরোধী সমাবেশে এ কথা জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স,গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি,জাতীয় কমিটির ঢাকা মহানগর শাখার অন্য নেতারা। সমাবেশের একাত্মতা ঘোষণা করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন,বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট,বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী ও ছাত্র ঐক্য ফোরাম।
সমাবেশে বক্তারা বলেন,‘শাসকগোষ্ঠী উন্নয়নের নামে মিথ্যার জোয়ার সৃষ্টি করেছেন। তারা অন্যকে কথা বলতে দিচ্ছেন না, যুক্তি গ্রহণ করছেন না। তারা শক্তি প্রদর্শন করে যুক্তিকে হজম করে ফেলার নাম দিয়েছেন নতুন ধরনের গণতন্ত্র। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে তথ্য-উপাত্ত দিয়ে দেখানো হচ্ছে— রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে কিভাবে সুন্দরবন ধ্বংস হবে। শাসকগোষ্ঠীর এতে কর্ণপাত নেই। উপরন্তু,আন্দোলনকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে।’
বক্তারা বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প উপায় জাতীয় কমিটি অনেক দিন ধরে বলে আসছে উল্লেখ করে তারা বলেন,‘যৌক্তিক আলোচনায় সরকার উৎসাহী নয়। তাই আগামী ২২ জুলাই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জনবান্ধব ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রস্তাব জনগণের সামনে হাজির করব।’
ইউনেস্কোর নামে মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে সরকার বাংলাদেশকে বিশ্ববাসীর কাছে হেয় করেছে বলেও সমাবেশে দাবি করা হয়।
আগামী ২৫ জুলাই শরণখোলা,শ্যামনগরসহ খুলনার সব উপজেলায় ১০০ কিলোমিটারব্যাপী সভা-সমাবেশ-মানববন্ধন হবে বলে সমাবেশে জানানো হয়।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু,ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের নেতা অনুপ কুণ্ডু,বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা খান আসাদুজ্জামান মাসুম,বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খান।
/এসএমএ/