আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘টানেল এবং কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে টুইন সিটি নির্মাণের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় টানেল নির্মিত হবে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ নির্মাণ কাজ তদারক করবে।’
চীনা ইঞ্জিনিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আবাসিক ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে এই প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা এবং টানেলের জন্য ১ হাজার ১০০ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ টানেল চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে সড়ক দূরত্ব কমাবে। এতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যানবাহনের যানজট কমবে।’
টানেল নির্মাণ কাজে বিদ্যুতের চাহিদা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আজ (শনিবার, ১৫ জুলাই) পর্যন্ত ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। নির্মাণ কাজ স্বাভাবিকভাব চালিয়ে যেতে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম একটি সাব-স্টেশন শিগগিরই স্থাপন করা হবে। টানেলের দৈর্ঘ্য হবে ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার, নদীর উভয় পাড়ে এপ্রোচ রোড হবে প্রায় ৬ কিলোমিটার। টানেলটি প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে।’
চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (সিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘টানেলটি চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটাবে এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।” খবর: বাসস।
/এমও/