রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘ভিসা জটিলতা ও মোয়াল্লেম ফি’সহ নানাবিধ কারণে যাত্রীরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ বিমানে ১৭৭টি ফ্লাইটের মধ্যে ৯টি হজ ফ্লাইট এরইমধ্যে বাতিল হয়েছে। ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কারণে পরের দিকে বিমানে যাত্রী পরিবহনের চাপ বাড়বে। এছাড়া ৮৫ হাজার যাত্রীর পাসপোর্ট এখনও হাতে পায়নি হজ অফিস। টিকিট পেয়েও ভিসা জটিলতায় জেদ্দা যেতে পারেননি সাত হাজারের বেশি যাত্রী।’
তিনি আরও বলেন, ‘ এসব সমস্যা বিমানের নয়। ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ এজেন্সিগুলোর জটিলতায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত ভিসা পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭১৪ জন।’
হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হাব বলছে, এবার পাসপোর্টের সঙ্গে আলাদা কাগজে ই-ভিসা দিচ্ছে দূতাবাস। এতে সার্ভার জটিলতায় সময় লাগছে বেশি। পাশাপাশি দ্বিতীয়বার হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের বাড়তি দুই হাজার রিয়াল জমা দেওয়ার নির্দেশনায় ঘটছে বিলম্ব।
/সিএ/এসএনএইচ/