খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘চিকিৎসারর জন্য খালেদা জিয়া দেশের বাইরে আছেন। কিন্তু এই অবস্থায় তার জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন দুদক। আমরা তার চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরা পর্যন্ত জামিন মঞ্জুরের আবেদন করেছি। কিন্তু আদালত কেন জামিন বাতিল করা হবে না সেজন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। এই অবস্থায় আমরা ন্যায়বিচার পাবো না বলে আশঙ্কা করছি।’
এর আগেও একাধিকবার এ আবেদন নিয়ে উচ্চ আদালতে আসেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। গত ২৬ এপ্রিল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ফের আদালত পরিবর্তন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। গত ৮ মার্চ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহম্মেদ জমাদারের প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনাস্থা আবেদন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলাটি ওই আদালত থেকে স্থানান্তর করে ঢাকার সিনিয়র মহানগর বিশেষ জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই আদালতকে ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ মামলাটির অভিযোগ গঠন করেন।
ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে বর্তমানে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বিচারকাজ চলছে।
জিয়া অরফানেজ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ টাকা এসেছে সৌদি আরব থেকে। প্রকৃতপক্ষে এই অর্থ কুয়েতের আমির অরফানেজ ট্রাস্টের জন্য দিয়েছেন। যেই টাকা লাভসহ এখনও ট্রাস্ট ফান্ডে জমা রয়েছে।
/এমটি/ইউআই/এসএনএইচ/