সোমবার (৭ আগস্ট) ঢাকার অষ্টম ও জেলা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারিক চার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলো, রাজন খা, শাহনাজ বেগম, সুমন বয়াতি, ফজল ওরফে ফয়জল। রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলী মাহফুজা বেগম সাইদা বাংলা ট্রিবিউন একথা জানিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টম্বর সন্ধ্যায় ইফতারের পর আয়েশা বেগম বাড়ির সামনে রাস্তায় পায়চারি করছিলেন। এরপর তাকে আর পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের লোকজন আশেপাশে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরে মসজিদে মাইকিং করে। পরের দিন সকাল ৭টার দিকে বাড়ি থেকে ৫-৬ কিলোমিটার দূরে দোহার ঘাটা এলাকায় রাস্তার পাশে তার লাশ খুঁজে পায় স্বজনরা। এরপর আয়েশা বেগমের ছেলে আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে দোহার থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা জানায়, স্বর্ণালংকারের জন্য পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রথমে তারা আয়েশা বেগমকে অপহরণ করে। তাদের চিনে ফেলায় তাকে রশ্মি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
অপহরণের সময় আয়েশা বেগমের কাছে স্বর্ণের চেইন, কানের দুলসহ দুই ভবি স্বর্ণালংকার ছিল।
দোহার থানার ওসি মজিবুর রহমান ১৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র জাম দেন। ২০০৯ সালের ৪ মার্চ অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
/এসআইটি/এসটি/