প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে অনুদান নিয়ে ও তাকে কাছে পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ সন্ত্রাসীদের নৃশংসতার কারণে নিজেদের দুর্দশার কথা জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ক্ষতিগ্রস্তদের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘নির্বাচন ঠেকানোর নামে তারা (বিএনপি-জামায়াত) অনেক পরিবারকে আঘাত করেছে। পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে অনেককে। যাদেরকে অনুদান দেওয়া হলো তারা অনেক অত্যাচার সহ্য করেছেন।’
বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময় নাশকতার শিকার ক্ষতিগ্রস্ত অনেককে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
অনুদান গ্রহণ করেছেন ইন্দুরকানি উপজেলার শ্রীমতি বিউটি রানী সীল, আকমান সরদার, বাবুল খান, ইদ্রিস আলী হাওলাদার, মনিরুজ্জামান মনির, কামরুজ্জামান শাওন তালুকদার, মোস্তফা কামাল হাওলাদার, আব্দুর রাজ্জাক মাতুব্বর, আবুল হোসেন আবু, তোবারেক আলী হাওলাদার, মোস্তাফিজুর রহমান, আবুল কাছেম খান, সেলিম হাওলাদার, বাদশা হাওলাদার, সাথী আক্তার, ফারুক হোসেন হাওলাদার, মিজানুর রহমান খসরু খলিফা, শাহ আলম মল্লিক, রহিমা বেগম, জোসনা বেগম, এনায়েত হোসেন হাওলাদার, খোকন আকন, কামাল হোসেন টিপু, আলম হাওলাদার।