কফি আনানের নেতৃত্বে গঠিত রাখাইন প্রদেশের পরামর্শমূলক কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে মিয়ানমারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কমিশন বুধবার (২৩ আগস্ট) এ প্রতিবেদন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের কাছে হস্তান্তর করে এবং আজ (বৃহস্পতিবার) তা সবার জন্য প্রকাশ করে।
কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, নাগরিকত্ব এবং এ বিষয়ে জাতীয় আইনের সীমাবদ্ধতা একটি বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে রাখাইনে মুসলিম সম্প্রদায়ের (রোহিঙ্গা) নাগরিকত্বের বিষয়টিও উদ্বেগের।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। বর্তমানে তিন লাখেরও অধিক রোহিঙ্গা এদেশে অবস্থান করছে। রাখাইন প্রদেশের বাসিন্দা রোহিঙ্গাদের কোনও নাগরিকত্ব নেই এবং তারা সামাজিক কোনও সুবিধা পায় না। ১৯৮০ দশকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে দলে দলে আসা শুরু করে। এরপর ২০১২ সালে প্রচুর রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ২০১৬ সালে কফি আনানের নেতৃত্বে রাখাইন কমিশন গঠিত হয়। এর সদস্য ঘাসান সালামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চলতি বছর বাংলাদেশ সফর করেছিল।