পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে গত বৃহস্পতিবার রাখাইনে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, রোহিঙ্গারা যেন দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ না করে সে ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে অং মিন্টের কাছে একটি অনানুষ্ঠানিকপত্র হস্তান্তর করেছে ঢাকা।
এ ঘটনার একদিন আগেই কফি আনান কমিশন তাদের প্রতিবেদন দেয়। তাতে রাখাইন রাজ্যের সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দান ও স্বাধীন চলাচলের অনুমতির সুপারিশ করা হয়।
নতুন এ সহিংসতার পরই ফের বাংলাদেশের দিকে ঢল নামে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের। সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও কক্সবাজারের সীমান্ত দিয়ে দলে দলে অনুপ্রবেশ করছে তারা। তাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত অবস্থায় বাংলাদেশে ঢুকেছেন। শনিবারই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ এক রোহিঙ্গা মারা যান।
গত অক্টোবরেও সন্ত্রাসী হামলার জবাবে রাখাইনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ওই সময় প্রাণ বাঁচাতে অন্তত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেন। তারা এখনও উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন: