ষোড়শ সংশোধনীর রায় বাতিলের প্রতিক্রিয়ায় ২৫ বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

 

২৫ বিশিষ্টজনের বিবৃতিসংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষ থেকে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে, উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের ২৫ বিশিষ্ট নাগরিক। রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই উদ্বেগ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষ থেকে যে ধরনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হচ্ছে, তাতে দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা বিচলিত ও উদ্বিগ্ন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের রাজনীতিকরণ কিংবা রায় নিয়ে অতি উৎসাহ ব্যক্ত করা—দু’টিই আদালতের মর্যাদা ও সৃজনশীলতার জন্য ক্ষতিকর। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে আদালতই যেহেতু শেষ ভরসাস্থল, তাই তাকে দুর্বল করার যেকোনও পদক্ষেপই সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও অত্যন্ত দুঃখজনক। জনগণের সার্বিক স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের মর্যাদাহানি ঘটে, এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সব মহলের প্রতি আমরা অনুরোধ জানাই।’

২৫ বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক অজয় রায়, মানবাধিকারকর্মী হামীদা হোসেন, নারী আন্দোলনকর্মী শিরীন হক, রবীন্দ্র গবেষক আহমেদ রফিক, তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক শেখ মো. শহীদুল্লাহ, আলোকচিত্রী শহীদুল আলম, কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) আহ্বায়ক বদিউল আলম মজুমদার, অর্থনীতিবিদ স্বপন আদনান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আইন বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক, রেজাউর রহমান লেলিন, মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন, জাকির হোসেন, গণস্বাস্থ্যর স্বত্বাধিকারী জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, নৃবিজ্ঞানী ও কলাম লেখক রেহনুমা আহমেদ, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী জিয়াউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রিদওয়ানুল হক, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান প্রমুখ।