দুর্নীতি মামলায় রানা প্লাজার রানার তিন বছরের জেল, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আদালতে রানারানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে সম্পদের হিসাব দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস এ রায় দেন। আদালতের আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ২২ আগস্ট এ মামলার যুক্তি-তর্কের শুনানি শেষ হয়। বিচারকাজ চলাকালে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে তার নিজের, স্ত্রী এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে অর্জিত স্থাবর, অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, উৎস এবং তার অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিলের জন্য ২০১৩ সালের ২২ মে নোটিশ ইস্যু করে দুদক। রানা কাশিমপুর কারাগারে থাকায় তার নামে সম্পদবিবরণী নোটিশ জারি করা হয়নি।

আদালতে রানাপরবর্তীতে কারাগারেও নোটিশ ইস্যু করার সিদ্ধান্ত হয়। তখন দুদক ২০১৫ সালের ১ এপ্রিল রানার নামে কাশিমপুর কারাগারে সম্পদবিবরণী নোটিশ জারি করে। ২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল নিজ স্বাক্ষরে বিবরণী নোটিশ গ্রহণ করে ২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সোহেল রানা সম্পদবিবরণীর ফরম পূরণ না করেই দুদকের কাছে ফেরত পাঠায়।

নোটিশের বিধি মোতাবেক সাত কার্যদিবসের মধ্যে রানা সম্পদবিবরণী দাখিল করেনি। এই অভিযোগে ওই বছর ২ মে দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম রমনা থানায় সম্পদের হিসাব দাখিল না করার অভিযোগ এনে রানার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।