ভারী বর্ষণে ঈদে বিপত্তির শঙ্কা

মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে দিনভর বৃষ্টিসকাল থেকেই  রাজধানীতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও কোথাও হচ্ছে বজ্রসহ বৃষ্টি। ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষদের পড়তে হচ্ছে বিপত্তিতে। থমকে গেছে কোরবানির হাটে পশু কিনতে যাওয়া মানুষদের যাত্রা। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বৃদ্ধি পেতে পারে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা।  

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় স্থায়ী দমকা হওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি  অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। 

আবহাওয়া অধিদফতর আবহাওয়াবিদ রোকেয়া আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। লঘুচাপটি বর্তমানে  গুজরাট ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান  করছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। আগামী  ৭২ ঘন্টায় বৃষ্টিপাতের প্রবনতা বৃদ্ধি পেতে পারে।’ 

অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নদী বন্দরসমূহের জন্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন- ‘বৃষ্টিতে সমস্যা হলে দায়িত্ব হাট ইজারাদারের’