মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি থাকায় হত্যা, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ নানা মামলায় গড়ে ৮৮ শতাংশ আসামি খালাস পেয়ে যাচ্ছে। এর পেছনের মূল কারণ হচ্ছে, মামলার বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্বলতা এবং আর্থিক ও রাজনৈতিক প্রভাব।’
নারীর প্রতি সহিংসতা বিশেষত ধর্ষণের ঘটনা সম্প্রতি উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এই ঘটনা ন্যাক্কারজনক। একজন নারীকে এভাবে নির্মম পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার ঘটনা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়।’
মানবাধিকার কমিশন রুপাকে ধর্ষণ শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল, সঠিক মেডিক্যাল প্রতিবেদন সম্পন্ন ও প্রমাণগুলো আদালতে দাখিল করে আসামিদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানায়।
প্রসঙ্গত, উল্লিখিত ঘটনায় কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগ আমলে নিয়ে দ্রুততম সময়ে সঠিক তদন্ত শেষ করে আসামিদের বিচারের আওতায় আনার জন্য এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে।