শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুরান ঢাকার সাদেক হোসেন খোকা মাঠে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ লাইভের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করছেন সাঈদ খোকন। মেয়র ছাড়াও এ কাজের সরাসরি মনিটরিং করছেন সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করতে মাঠে নেমেছে দুই সিটি করপোরেশন। এবছর মেয়র আনিসুল হক অসুস্থ হওয়ায় উত্তর সিটির কোরবানির বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব পড়েছে দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের ওপর। সে কারণে এবছর তাকে একটু বেশি চাপ সামলাতে হচ্ছে।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, বিগত বছরগুলোতে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন থেকে ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় ঘোষণা করা হতো। কিন্তু এবছর তা কমিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টা করা হয়েছে। সে জন্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মাথায় রেখেই এ পদ্ধতি অবলম্বন করছে সংস্থাটি।
জানতে চাইলে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমরা বর্জ্য অপসারণ করবোই। আমরা মেয়রের নেতৃত্বে আমাদের কন্ট্রোল রুমে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ লাইভে আছি। এর মাধ্যকে প্রতিটি ওয়ার্ডে কর্মরত পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরাসরি মনিটরিং করছি। লাইভে প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী তার এলাকার চিত্র দেখাতে হচ্ছে। এতে কাজে গড়ি বাড়ছে।
সংস্থার অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যখনই বর্জ্য তখনই অপসারণ। আমাদের প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মী মাঠে আছেন। মেয়র ও নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যখন যাকে ইচ্ছা তাকে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে লাইভে ডেকে বসেন। ফলে কেউ কাজে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই। গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়তে পারেন:
শিশু-কিশোরদের দিয়ে কোরবানির পশু জবাই কতটা যৌক্তিক?
পুরান ঢাকায় অসহায় মানুষের জন্য কোরবানি
কুড়িগ্রামে মাংস ও পোলাওয়ের চাল পেলো তিন শতাধিক পরিবার
লালমনিরহাটের চার শতাধিক বানভাসি পরিবারের মাঝে খাদ্য উপকরণ বিতরণ