এরই মধ্যে ধানমন্ডি ২৭-এ পানি জমে গেছে। সাভার, গাবতলী হয়ে আসা গাড়িগুলো রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে আছে। এই যানজটের মধ্যে অফিস যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বি। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি কলেজ গেটে এতক্ষণ মানে ১ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিলাম। কোনও যানবাহন পায়নি। ভিজে যাওয়ায় এখন বাসায় ফিরে যাচ্ছি। আমার মতো অনেকেই সকাল ৮টা থেকে গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। এই জলজটের মধ্যে অফিসের গাড়ি কয়টায় আসবে তার ঠিক নাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তবু অফিসের গাড়ি আছে, সাধারণ যাত্রীরা তো গাড়িই পাচ্ছেন না। ভিজছে, এত বৃষ্টি যে ছাতায়ও কাজ হচ্ছে না।’
গোলাম রাব্বি বলেন, ‘যে কোনও ভাবে অফিস করতে হবে। ছাতা আছে তারপরও পুরো ভিজে গেছি। কী আর করার, এভাবে অফিস করতে হবে।’ তিনি আক্ষেপের সঙ্গে বলেন, ‘শহরটাকে ঠিক করতে হবে।’
শংকরের বাসা থেকে অফিসের গাড়ির জন্য বের হয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করতেই পুরো ভিজে গেছেন বলে জানান সায়ান। তিনি বলেন, ‘অসহনীয় হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। আমাদের কারুরই মাথাব্যথা নাই। অফিসের জন্য বের হলাম। ভিজে একবার পোশাক চেঞ্জ করে আবারও আসলাম। ল্যাপটপ ভিজে একাকার।’
ভারী বৃষ্টিতে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে গেছে। কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর পানি জমে আছে। কালশীর দোকানি রহমান বলেন, ‘পুরা বর্ষা ব্যবসা বলতে গেলে বন্ধ। ঈদের পর কাল দোকান খুলে দুপুরে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি। আজকে যে অবস্থা তাতে সারাদিনই মনে হচ্ছে দোকান বন্ধ রাখতে হবে।’
ছবি: আশরাফুল কবীর আশিফ ও আশিভ চৌধুরী